বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতাল, স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তোফাজ্জেল হোসেন মল্লিকের পক্ষে রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয় জি হায়দার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সভা হয়। এতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম এ আউয়াল অংশ নেন। সভা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ফয়সাল মাহাবুবের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা শংকরপাশা গ্রামের মল্লিকবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তোফাজ্জেল হোসেন মল্লিকের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।

এর কিছুক্ষণ পর স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের (আনারস প্রতীক) সমর্থকেরা তোফাজ্জেল হোসেনের সমর্থকদের ওপর ইট নিক্ষেপ করেন। এ সময় দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সেখানে ফয়সাল মাহাবুব গুলিবিদ্ধ হয় এবং হাসান সিকদার নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মী আহত হন। ঘটনার পর পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রানা সাহা বলেন, ফয়সাল মাহাবুব বাঁ কাঁধে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হাসিবুজ্জামান নামের এক ছাত্রলীগ কর্মী বলেন, ‘ফয়সাল মাহাবুবের নেতৃত্বে আমরা নৌকা প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। রাত পৌনে আটটার দিকে মল্লিকবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে। এ সময় এক ব্যক্তি পিস্তল বের করে ফয়সাল মাহাবুবকে গুলি করে।’

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও শংকরপাশা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তোফাজ্জেল হোসেন মল্লিক প্রথম আলোকে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসির উদ্দিন মাতুব্বর নিজে ফয়সাল মাহাবুবকে গুলি করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের কাছে অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন নাসিরের ব্যাপারে নমনীয়।

অভিযোগের বিষয়ে নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) থান্দার খায়রুল হাসান বলেন, ঘটনার পর পুলিশ সুপারসহ তাঁরা ঘটনাস্থলে আছেন। গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন