বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঢাকায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় রাজৈর উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম আমরা কেন্দ্রে পাঠাইনি। তিনি আওয়ামী লীগের কেউ নন।’

রাজৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন খান অভিযোগ করে বলেন, রেজাউল করিম চৌধুরীর তৃণমূলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। তবু তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজৈর উপজেলায় আওয়ামী লীগ দুই ভাগে বিভক্ত। রয়েছে পাল্টাপাল্টি দুটি কমিটি। একটি কমিটি জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের অনুগত। অন্যটির নেতৃত্বে মাদারীপুর-২ আসনের সাংসদ ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান। সাংসদের গঠন করা আহ্বায়ক কমিটিতে রেজাউল করিম চৌধুরীকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। তবে সাংসদের করা এই কমিটিকে ‘অবৈধ’ বলছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা।

রেজাউল করিম চৌধুরী নব্বইয়ের দশকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও পরে মাদারীপুর জেলা কৃষক লীগের সদস্য ছিলেন। মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রথম আলোকে মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী লীগ করি। ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি নৌকার পক্ষে কাজ করেছি। সাংসদ শাজাহান খানের সঙ্গে থাকায় জেলার নেতারা কমিটিতে আমাকে পদ দেননি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন