বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সামিউল হকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও নির্বাচনের কর্মী কামরুল হাসান (৪৮) প্রথম আলোকে বলেন, বিকেল চারটায় বাড়ি (পৌর এলাকার আলীনগর মহল্লা) থেকে বের হয়ে সামিউল হকের নির্বাচনী কার্যালয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। অল্প একটু এগোতেই ১০-১২ জন তরুণ ঘিরে ফেলে ইট ও একটি দোকানের ছোট বেঞ্চের কাঠ দিয়ে মারতে শুরু করেন। তাঁরা হুমকি দিয়ে ৩০ তারিখ (ভোট গ্রহণের দিন) পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাইরে গিয়ে থাকতে বলেন। মোবাইল প্রতীকের (বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রতীক) ভোট করলে আরও মার খেতে হবে বলে শাসায়। খবর পেয়ে সাদাপোশাকের পুলিশ ও লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। সদর হাসাপাতালে চিকিৎসা নিয়ে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

বিদ্রোহী প্রার্থী সামিউল হক বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত পৌর এলাকার উদয়ন মোড়, হরিপুর ও হালুয়াবান্ধা এলাকায় তাঁর চারটি প্রচার মাইক ভাঙচুর করা হয়েছে ও এক প্রচারকর্মীকে মারধর করা হয়েছে। এসব করছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোখলেসুর রহমানের লোকজন। তিনি বলেন, ‘দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি বলেছিলাম, এসব সহিংসতার মাধ্যমে শহরজুড়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে, যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট না হয়। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করেছি।’

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোখলেসুর রহমান বলেন, নিজের ভরাডুবি দেখে নিজেদের লোক দিয়ে এসব ঘটিয়ে তাঁর ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে। পুলিশকে তিনি বলেছেন, তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওযা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন