বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কলমা ইউপি নির্বাচনে এবার দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম। মাইনুলের দাবি তিনিও সম্পর্কে সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর ফুফাতো ভাই। অবশ্য আত্মীয়তার সম্পর্কের বিষয়ে সাংসদের বক্তব্য হচ্ছে—চৈরখৈর গ্রামের সব মানুষই তাঁদের আত্মীয়।

ওমর ফারুক চৌধুরীর একটি বিরোধীপক্ষ রয়েছে তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলায়। অভিযোগ রয়েছে ‘সেভেন স্টার’ নামে আত্মপ্রকাশ করে তাঁরা গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংসদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। এর আগে দুটি উপজেলার চারটি পৌরসভা নির্বাচনের মধ্যে দুটিতে বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন আর দুটিতে সাংসদের অনুসারীরা মনোনয়ন পাননি। প্রকারান্তরে ‘সেভেন স্টার’ গ্রুপের অনুসারীরাই জয়লাভ করেছেন। পরে অবশ্য একটি পৌরসভার নির্বাচিত প্রার্থীর মৃত্যু হলে উপনির্বাচনে সাংসদের অনুসারী এবং নৌকার প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। এসব কারণে এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তানোর উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের বিষয়ে খাদেমুন নবী চৌধুরী বলেন, তিনিই দলীয় মনোনয়ন পাবেন, এটাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা ছিল। তাঁর মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টি এলাকার জনগণ মানতে পারছেন না। তাঁদের প্রত্যাশা পূরণের জন্যই মূলত তিনি নির্বাচন করতে চাচ্ছেন।

মাইনুল ইসলাম ২০১৯ সালে উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট করে প্রথমবার চেয়ারম্যান হন। এবারও তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন। খাদেমুন নবী চৌধুরীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার ব্যাপারে তিনি বলেন, তাঁরা ছয়জন একসঙ্গে ঢাকায় গিয়েছিলেন। কথা ছিল যে দলীয় মনোনয়ন পাবেন, সবাই তাঁর পক্ষে কাজ করবেন। তবে তিনি আশাবাদী, শেষ পর্যন্ত খাদেমুন নবী হয়তো থাকবেন না।

এ ব্যাপারে ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, দু–চারবার বাদে বরাবরই তাঁর নিজের গ্রাম চৈরখৈর থেকেই কলমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। তাই গ্রামের অনেকেই একবার চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। খাদেমুন নবী চৌধুরীকেও তিনি স্থানীয় সুপারিশ দিয়ে কেন্দ্রে পাঠিয়েছিলেন। এখন প্রধানমন্ত্রী যাঁকে যোগ্য মনে করেছেন, তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছেন। তিনি ঢাকায় আছেন। ফিরে এ নিয়ে কথা বলবেন। তিনি মনে করেন, এগুলো ঠিক হয়ে যাবে।

দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১১ নভেম্বর তানোর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২০ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত। পরদিন ২৭ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন