default-image

আগের নির্বাচনগুলোতে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীরাই আলোচনার কেন্দ্রে থাকতেন। দুই প্রার্থীর মধ্যে একজন জয় পেতেন। কিন্তু এবারের পৌরসভা নির্বাচনে দৃশ্যপট বদলে গেছে। এবার আলোচনায় চলে এসেছেন এক নারী প্রার্থী। তাঁর নাম সালমা আনিকা। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক মহিলাবিষয়ক সম্পাদক।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শওকত উসমান। তিনি বর্তমান মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। বিএনপির প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন খান। এর আগে মেয়র পদে তিনবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুইবার জয় পান। গত নির্বাচনে তাঁরা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এই পৌরসভার ভোট ৩০ জানুয়ারি। ভোট হবে ব্যালটে।

বিজ্ঞাপন

ভোটারদের ধারণা, এবার আওয়ামী লীগ নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণায় কিছুটা পিছিয়ে। আর বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো আগের মতো শক্তিশালী নেই। মামলা, হামলা আর পেশাগত ঝুঁকির কথা ভেবে নেতা-কর্মীরা দলীয় প্রার্থী থেকে প্রকাশ্যে নিরাপদ দূরত্ব বজায় আছেন। অনেকের মতে, এমন বাস্তবতায় সালমা আনিকা আছেন সুবিধাজনক অবস্থায়।

নৌকার প্রার্থী শওকত উসমানের মন ভালো নেই। তাঁর কণ্ঠে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। কেমন চলছে প্রচারণা, এমন প্রশ্নে শওকত উসমানের উত্তর, নেতা-কর্মীদের অনেকে মাঠে নামছেন না। তাঁর এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে দলের মধ্যে সমস্যা আছে। নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশ তাঁর সঙ্গে আছে কেবল ওপরে ওপরে। এসব ভালো লক্ষণ নয় বলে মন্তব্য শওকত উসমানের।

উপজেলা আওয়ামী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন প্রার্থীর এমন অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক নেতা-কর্মী প্রচার–প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরাও মাঠে আছি।’

তোফাজ্জল হোসেন নেতা হিসেবে প্রবীণ। বিএনপির নেতৃত্বে আছেন দীর্ঘদিন। ভোটের পরিবেশ নিয়ে যত অভিযোগ তাঁর। তোফাজ্জল বলেন, ‘দৃশ্যমান চাপ না থাকলেও আমাদের নেতা-কর্মীরা চাপে আছেন। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকায় রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিবেশটা এমনিতেই ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন