বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০ আগস্ট ভোররাতে ঘুমন্ত অবস্থায় ইলিয়াস আহম্মেদকে মসলা বাটার শিল (নোড়া) দিয়ে মাথায় আঘাত করেন মিলি আক্তার। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

এ ঘটনায় ২৩ আগস্ট ইলিয়াস নিজে বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। মামলায় স্ত্রী মিলিকে একমাত্র আসামি ও অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সাইদুর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ এলাকায়।

মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক রাজীব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল মিলিকে ঢাকার মিরপুর–২ নম্বরে এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় সেখানে সাইদুর মিলির সঙ্গে দেখা করতে আসেন। তখন জিজ্ঞাসাবাদ করতে সাইদুরকেও আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলির সঙ্গে সাইদুরের সম্পর্কের কথা জানা গেছে। দুজনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠান।

এ সম্পর্কে ইলিয়াস আহম্মেদ হাওলাদার বলেন, ‘আমাকে হত্যা করার জন্য পরিকল্পিতভাবে নোড়া দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। আমার মাথায় প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমি মৃত্যুর খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম। আমার স্ত্রীকে ওই ছেলেটা যে প্ররোচনা দিয়েছে, আমি তাদের বিচার চাই।’

সাইদুরের বাবা শামসুল আলম ভূঁইয়া জানান, মিলির সঙ্গে তাঁর ছেলের ফেসবুকে পরিচয়। এই হত্যাচেষ্টা মামলায় তাঁর কোনো প্ররোচনা নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন