দিনাজপুর পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেছেন, পৌর নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউসে রাখা হয়েছে। চর দখলের মতো যদি এই নির্বাচন হয়, তাহলে জনগণের রায় পিষ্ট হয়ে যাবে সরকারি দলের পায়ের তলায়।

আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে জেলমোড় এলাকায় বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত অবাধ ও নিরপেক্ষ পৌর নির্বাচনের দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই জেলায় বিএনপি একটি সুসংগঠিত ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হওয়ায় বিএনপির প্রার্থী বারবার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের নির্বাচনে সরকারি দলের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। বিএনপিকে ঠেকাতে সরকারি দলের যখন সব অস্ত্রই শেষ হয়ে গেছে, তখন তারা ভোটারদের হুমকি–ধমকি, বুথ দখল, ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের পরিকল্পনাসহ পুলিশের মাধ্যমে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিতে শুরু করেছে। আতঙ্কে বিএনপির নেতা-কর্মীরা প্রচার চালাতে পারছেন না।

বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কারও উসকানিতে কিংবা নির্দেশে ভোটারদের ভোটাধিকার হরণ করবেন না। দিনাজপুরের মানুষ অন্যায়ের প্রতিবাদ করে সব সময় বিজয়ী হয়েছে। এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে করে জনগণকে আবার রাজপথে নামতে হয়। এ সময় বহিরাগতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি। অন্যথায় পরবর্তী সময়ে সব দায়ভার প্রশাসনকে বহন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও সাবেক সাংসদ রোজিনা ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোফাজ্জল হোসেন, খালেকুজ্জামান, হাসানুজ্জামান, আখতারুজ্জামান, মো. মোকাররম হোসেন, সাবেক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোকসেদ আলী মঙ্গোলিয়া, অধ্যাপক কামরুজ্জামান, বোচাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

মন্তব্য করুন