বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোস্তফা বলেন, তিনি আজ সকালে কৈপাল এলাকায় প্রাতর্ভ্রমণে যান। সাড়ে আটটার দিক নৌকার প্রার্থী হাশিমের ছেলে মালেকসহ কয়েকজন সেখানে হাজির হন। এ সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁরা চলে যান। তখন তিনি তাঁর ছেলেকে ফোন করেন। পরে মোটরসাইকেলে হোসেনাবাদ এলাকায় যান। সেখানে পৌঁছানোর কয়েক মিনিট পর মালেক ২০-২৫ জনকে নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান। হামলাকারীদের হাতে হকিস্টিকসহ ধারালো অস্ত্র ছিল। এ সময় তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে তাঁর ছেলে ও তাঁর ছেলের সঙ্গে থাকা লোকজনও আহত হন। তাঁদের মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। এ ব্যাপারে তিনি থানায় অভিযোগ দেবেন।

মোস্তফা আরও বলেন, ‘আমাকে পিঠে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো হয়েছে। নাক ফেটে গেছে। এখনো রক্ত ঝরছে। পুরো শরীরে ব্যথা। নির্বাচন করার কোনো পরিবেশ নেই। ভয়ভীতি আর আতঙ্কে দিন কাটছে। সাধারণ ভোটাররা খুবই আতঙ্কে আছে। এভাবে ভোট হয় না।’

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সর্দ্দার হাশিম উদ্দিন বলেন, তাঁর ছেলে কারও ওপর হামলা চালাননি। মোস্তফা কামালের লোকজনই হোসেনাবাদ বাজারে তাঁর সমর্থক ও ছেলের ওপর হামলা করেন।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন দুপুরে বলেন, উভয় পক্ষের লোকজন হোসেনাবাদ বাজারে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জড়ো হয়েছিলেন। তিনি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় মালেকের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে মোস্তফার পক্ষের কেউ আসেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন