বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টার খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর ভোটকেন্দ্রের বাইরে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী কাইয়ুমসহ ইউপি সদস্য প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকেরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এ সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী তাঁর কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে দ্রুত গাড়িতে উঠে চলে যান। এ পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রে প্রায় ২০ মিনিট ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি শান্ত হলে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। আহত ছইফকে পরে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার পর ওই কেন্দ্রে গিয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রতীশ চন্দ্র দাসকে তাঁর কক্ষে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তাঁর মুঠোফোনে ফোন করলেও তিনি ধরেননি।
ওই ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশের এসআই নিরঞ্জন তালুকদার বলেন, একটু ঝামেলা হয়েছিল। পরে সব ঠিক হয়ে গেছে।

আজ বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মুঠোফোনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহাব উদ্দিন আহমদ তাঁর বিরুদ্ধে আনা জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের লোকজন জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এ নিয়ে তাঁর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ওই প্রার্থীদের লোকজনের মারামারি লেগে যায়।’

ভোট গ্রহণের আগেই সিল মারা ব্যালট পেপার উদ্ধার
জুড়ী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়ন পরিষদের একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের আগে নৌকাসহ বিভিন্ন প্রতীকে সিল মারা ৩৫০টি ব্যালট পেপার উদ্ধার করা হয়। সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণের ১০–১৫ মিনিট আগে ব্যালট পেপারগুলো উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

default-image

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, সাগরনাল ইউনিয়নের পাতিলাসাঙ্গন প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ হাজার ১১৭ জন। ভোট গ্রহণ শুরুর আগে ব্যালট পেপার গুনে নৌকা, ফ্যান, ফুটবল ও তালা প্রতীকের সিল মারা ৩৫০টি ব্যালট পেপার পাওয়া যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাসহ চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এসব ব্যালট ছিঁড়ে ফেলা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মৃণাল কান্তি দেবনাথ বলেন, ভোট গ্রহণ শুরুর আগে মুখোশধারী ২০-২৫ জন লোক তাঁদের জিম্মি করে ব্যালট পেপারগুলো ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারতে থাকেন। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁরা চলে যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন