বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে মাধবখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে সাম্প্রদায়িকতা সমূলে ধ্বংস করতে কঠোরভাবে চেষ্টা করছেন। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী কাজী মো. মিজানুর রহমান যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দেওয়ার সামিল। আমরা হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই মিলেমিশে বসবাস করে আসছি। এখানে এমন বক্তব্য আওয়ামী লীগের একজন প্রার্থীর মুখে শোভা পায় না।’

নৌকা প্রতীকের কাজী মো. মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দেওয়ার জন্য এমন বক্তব্য দিইনি। আসলে আমি আমার বক্তব্যে যা বলতে চেয়েছি, তা হলো আমরা মুসলমান। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। আসন্ন নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারলে মিথ্যা, দুর্নীতি পরিহার করে সত্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। নৌকা প্রত্যাশী অন্য প্রার্থীরা আমার বক্তব্যের অংশবিশেষ প্রকাশ করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।’

মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মালেক আকন বলেন, ‘বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুনেছি। বক্তব্যটি সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। নৌকার প্রার্থী হিসেবে কাজী মো. মিজানুর রহমান এমন বক্তব্য দিতে পারেন না।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এখানে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে। প্রার্থীর এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া ঠিক হয়নি। উনি হয়তো আবেগের বশবর্তী হয়ে বলে ফেলেছেন।’

তৃতীয় ধাপে আগামী ২৮ নভেম্বরের ইউপি নির্বাচনে মির্জাগঞ্জ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন