বক্তারা বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্য লাঠিখেলা হারিয়ে যেতে বসেছে। আগে আমন ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের মাঠগুলো খেলাধুলায় ভরে উঠত। লাঠিখেলা, গাদন, ডাংগুলি, ফুটবলসহ নানা খেলায় মেতে উঠত গ্রামের লোকজন। তরুণসমাজ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখত। পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে যাত্রা, জারিগানসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। এ জন্য মাদকের ছড়াছড়ি ছিল না কিংবা তরুণেরা মাদকে আসক্ত হওয়ার সুযোগ পেতেন না। তরুণসমাজের মধ্যে নতুন করে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা ছড়িয়ে দিতে হবে, অন্যথায় তাঁরা বিপথগামী হয়ে পড়তে পারেন বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।

লাঠিখেলায় উপজেলার দুটি দল অংশগ্রহণ করে। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ সেখানে জড়ো হয়। এর আগে একই জায়গায় ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের নিয়ে দড়ি টানা, তেল মাখানো কলাগাছ বেয়ে ওপরে ওঠা ও স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন