বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার ৯ জন হলেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন দেওয়ান (৪০) ও দেলোয়ার হোসেন খলিফা (৩৬), মাদারীপুরের বলাইচরের কামাল খাঁ (৩৯) ও খবির হাওলাদার (৪০), কালকিনীর খালেক হাওলাদার (৩৭), বরিশালের বানারীপাড়ার আল মিরাজ ওরফে মিন্টু (৩৮), টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের আবদুর রহিম মিয়া (৩১), নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের কবির হোসেন (৩৮) ও রহিম মিয়া (৩৯)।

আজ শনিবার দুপুরে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইনামুল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই ৯ জনের গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। গতকাল রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান ও জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসারের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ জানতে পারে, পূর্ব দত্তপাড়ার পুরোনো লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধের ওপর একদল ব্যক্তি ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ২৪ থেকে ২৫ জনের ডাকাত দলটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ৯ জনকে আটক করা হয়। ১৪ থেকে ১৫ জন স্পিডবোটে উঠে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ৯ জন স্বীকার করেন, তাঁরা ৫ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার আশুলিয়ার নয়ারহাট বাজারে এবং গত ৩১ আগস্ট রাতে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের গোপালদী বাজারে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি করেন। লুণ্ঠিত সোনা ও রুপা বিক্রি করে ৩১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৯ লাখ টাকা সবার মধ্যে ভাগ করা হয়। বাকি ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কদমতলীর একটি স্বর্ণের দোকান থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইনামুল হক বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে নরসিংদী মডেল থানায় অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতি আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন