বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বক্তারা বলেন, রঙ্গারচর ইউনিয়নের বিরামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে ঘরের বেড়া ও মেঝেতে ফাটল দেখা দিয়েছে। কোনো কোনো ঘরের বারান্দা ধসে পড়েছে। বৃষ্টি হলেই ঘরে পানি পড়ে। এসব ঘর নির্মাণে অনেকে নিজের টাকায় বালু-পাথর কিনেছেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হাই পরে টাকা পরিশোধ করার কথা বলেও তা করেননি। ঘর নির্মাণে অনিয়মের বিষয়টি লিখিতভাবে প্রশাসনকে জানিয়েছেন তাঁরা। বিষয়টি তদন্ত করে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হাই বলেন, যেসব ঘর নির্মাণ করা হয়েছে, তার মধ্যে তিনটি ঘরের বারান্দা অতিবৃষ্টিতে ও হাওরের ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘর মূল মাটিতে থাকলেও বারান্দা ছিল নতুন মাটিতে, এ কারণেই সমস্যা হয়েছে। পরে সেগুলো প্রশাসন থেকে সংস্কার করে দেওয়া হয়েছে। উপকারভোগীদের নিজেদের টাকায় বালু-পাথর কেনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছয়টি ঘর নিচু জমিতে করা হয়েছে। এসব ঘর যাঁরা পেয়েছেন, তাঁরা নিজেরাই এসব ঘরকে শক্ত করতে রড–সিমেন্ট ব্যবহার করেছেন। এসব করার কোনো বরাদ্দ ছিল না।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘নির্বাচনে আমার সঙ্গে যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছেন, তাঁরাই কিছু লোক দিয়ে এখন এসব মিথ্যা অভিযোগ করাচ্ছেন। এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।’

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান শাহরিয়ার প্রথম আলোকে বলেন, এসব ঘর প্রথম দিকে করা হয়েছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি এসব দেখে এসেছেন। দু-একটি ঘরের বারান্দা হাওরের ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেগুলো সংস্কার করে দেওয়া হচ্ছে। তারপরও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে অবশ্যই সেটির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন