বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সামন্তসার ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার ও প্রকল্প এলাকার নিরাপত্তা কর্মী মো. আবুল কালাম সরদার বলেন, বুধবার সন্ধ্যার পর ১২ থেকে ১৫ জন লোক এসে ঘরগুলো ভাঙতে থাকে। তিনি টের পেয়ে চিৎকার করেন। তখন তারা প্রকল্প এলাকা থেকে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যায়। অন্ধকার থাকায় হামলাকারীদের কাউকে চিনতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলমগীর হোসাইন, শরীয়তপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুর রহিম ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার চৌধুরী।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার চৌধুরী বলেন, ক শ্রেণিভুক্ত প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট ঘর ও একটি বারান্দা এবং একটি শৌচাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। গত সোমবার নির্মাণাধীন ঘরের পিলার ও দেয়াল গাঁথুনি করা হয়েছে। এখনো সিমেন্ট জমাট বাঁধার মতো সময় পার হয়নি। গাঁথুনি করার এক দিনের মাথায় এই হামলার ঘটনা ঘটায় পিলার ও দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ভেঙে পুনরায় নির্মাণ করা হবে।

ইউএনও আলমগীর হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রকল্পের নাগেরপারা ইউনিয়নের ৩২টি ঘরের মধ্যে ১৫টি ঘরের পিলারসহ কিছু অংশ ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সন্ধ্যার পরে রাতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায় হামলাকারীদের শনাক্ত করা যায়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন