বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান বলেন, দুই শতক জমিতে নির্মিত ঘরের দলিলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সুবিধাভোগীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্প-২–এর আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে জেলায় ২ হাজার ৪১৬টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ সম্পন্ন হওয়া ৬৯৪টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এর বাইরে নির্মাণাধীন ৩২টি ঘরসহ ১ হাজার ৭২২টি ঘর আগামী জুন মাসে হস্তান্তর করা হবে।

১১ এপ্রিল প্রথম আলোতে ‘ইটভাটার মধ্যে উঠছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই সংবাদ প্রকাশের দুই দিন পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ভাটা উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৩ এপ্রিল ওই ইটভাটার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল ইসলাম।

default-image

রেজাউল ইসলাম বলেন, পরিবেশের ছাড়পত্র ও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ভাটামালিককে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৫ দিনের মধ্যে ভাটার চিমনি সরিয়ে নেবেন বলে ভাটামালিক মুচলেকা দিয়েছেন। ভাটার কাঁচা ও পোড়ানো ইটসহ অন্যান্য অবকাঠামোও সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

এদিকে ভাটার চিমনি অপসারণ করা হলেও আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় অর্ধেক কাঁচা ও পোড়ানো ইট সরানো হয়নি। সরানোর কাজ চলছে ঢিলেতালে। এরই মধ্যে ঘর নির্মাণকাজও চলছে।

ভাটামালিক আবু রায়হান বলেন, চিমনি ভাঙা হয়েছে। ভাটা সরানোর কাজ চলছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সবকিছু সরিয়ে নেওয়া সময়ের ব্যাপার। তাই ভাটামালিককে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নে ৩৭টির মধ্যে ঘোড়ামারা গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২–এর আওতায় ৩২টি ঘর নির্মিত হচ্ছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ হয়। প্রায় দুই মাস আগে ঘর নির্মাণ শুরু হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন