বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যাত্রীদের অভিযোগ, যাত্রার ১০ দিন আগে অগ্রিম টিকিট ছাড়া হলেও মুহূর্তে টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায়। অথচ কালোবাজারিদের কাছে ট্রেন ছাড়ার কয়েক মিনিট আগেও টিকিট পাওয়া যায়।

দেওয়ানগঞ্জ শহরের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, সড়কপথে ঢাকায় যাতায়াতের ভালো কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। ট্রেনে যাতায়াতে সুবিধা আছে, আবার টিকিটও সাশ্রয়ী। তবে মাত্র দুটি আন্তনগর ট্রেনে আসনসংখ্যা খুব সামান্য। ফলে এই রেলপথে নতুন ট্রেন দরকার। আর তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের আসনসংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। তাহলে যাত্রীদের দুর্ভোগ অনেক কমে যাবে। একই সঙ্গে কালোবাজারিদের দৌরাত্ম্য কমবে।

যাত্রীদের অভিযোগ, টিকিট-সংকটের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কালোবাজারিরা বেশ সক্রিয়। তাঁরা কাউন্টার ও অনলাইন থেকে টিকিট সংগ্রহ করে সেই টিকিট চড়া দামে যাত্রীদের কাছে বিক্রি করছেন। তাঁদের দৌরাত্ম্যের কাছে সাধারণ যাত্রীরা এক রকম জিম্মি হয়ে পড়েছেন। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে দু-একজনকে আটক করলেও বেশির ভাগ কালোবাজারি থাকছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মো. আবদুল বাতেন বলেন, যাত্রীর তুলনায় টিকিটের বরাদ্দ অপ্রতুল। তার মধ্যে অনলাইনে ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হয়। ফলে কাউন্টারে প্রাপ্ত টিকিটের সংখ্যা কমে গেছে। ফলে যাত্রীরা কাউন্টারে টিকিট কম পান। বিভিন্ন সময় এই পথে নতুন আন্তনগর ট্রেন ও আসনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কালোবাজারিরা সাধারণ যাত্রীবেশে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট নিয়ে থাকতে পারেন, আবার অনলাইনেও সংগ্রহ করতে পারেন। তবে প্ল্যাটফর্মে কিংবা কাউন্টারের সামনে কোথাও কালোবাজারি হয় না। তবে কালোবাজারিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন