বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের কান্দারপাড়া গ্রামের মশিউর রহমানের (৫১) বিরুদ্ধে থানায় ভাঙচুর, মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে তিনটি মামলা রয়েছে। মামলায় তিনি পলাতক ছিলেন। আজ সকাল ১০টায় মশিউর রহমান তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে দিয়ে তাঁর দলবল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মেহেদি মাসুদ খবর পেয়ে মশিউরকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যান।

মশিউরকে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল সাড়ে ১০টায় কান্দারপাড়া, তারাকান্দি, পাখিমারা, ডুরিয়ারভিটা, চরপাড়া গ্রামের তিন শতাধিক মানুষ তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ঘেরাও করেন। তাঁরা আসামি মশিউরকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান। এ সময় পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। তদন্ত কেন্দ্রের সামনে থেকে গ্রামবাসীকে সরাতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ শটগানের পাঁচটি ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এ সময় গ্রামবাসীর ছোড়া ইটপাটকেল ও পাথরের আঘাতে সাত পুলিশ সদস্য আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিন গ্রামের বাসিন্দারা তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় মশিউর রহমানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। তারাকান্দি এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে কান্দারপাড়া গ্রামের লিমন মিয়া বলেন, ‘মশিউর ভাইয়ের মুক্তির দাবিতে আমরা তদন্ত কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ করেছি।’

তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল লতিফ বলেন, ‘পলাতক আসামিকে ছিনিয়ে নিতে গ্রামবাসী তদন্ত কেন্দ্র ঘেরাও করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় আমিসহ সাত পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শটগানের পাঁচটি ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে।’

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর রকিবুল হক বলেন, আসামি মশিউরের বিরুদ্ধে থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রে হামলার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন