বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মো. সোলাইমান পণ্ডিত (৪২), তাঁর স্ত্রী রীমা আক্তার (৩১), তাঁদের ছেলে মো. মাহিদ (১৩) ও মো. আরশ (৩)। তাঁদের রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সোলাইমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দগ্ধদের মধ্যে সোলাইমানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, রীমা আক্তারের ১৫ শতাংশ, শিশু মাহিদের ১৬ শতাংশ ও আরশের শরীরের ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে দগ্ধ চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সোলাইমানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, রীমা আক্তারের ১৫ শতাংশ, শিশু মাহিদের ১৬ শতাংশ ও আরশের শরীরের ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।
দগ্ধ রীমা আক্তারের ভাই মো. দর্পণ প্রথম আলোকে বলেন, ফজরের নামাজের অজু করার জন্য সোলাইমান সিলিন্ডারের গ্যাসে পানি গরম করতে রান্নাঘরে গিয়েছিলেন। চুলায় আগুন দেওয়ার জন্য দেশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। সোলাইমানকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। বাকিরা আশঙ্কামুক্ত।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আড়াইহাজার কার্যালয়ের স্টেশন কর্মকর্তা মো. শাহজাহান বলেন, একতলা ভবনের একটি রান্নাঘরে সিলিন্ডারটি রাখা ছিল। রাতে বাড়ির লোকজন দরজা–জানালা বন্ধ করে ঘুমিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডারটির লিকেজ থেকে গ্যাস বের হয়ে রান্নাঘরটি গ্যাসে পূর্ণ ছিল। সেখানে দেশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন