বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছি। উন্নয়নের জন্য জায়গা ছেড়ে দিতেও রাজি। কিন্তু সে জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
নুর মোহাম্মদ, রেলগেট এলাকার ব্যবসায়ী

চলতি বছরের ৩০ জুন কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এম বিল্ডার্স এই কাজ বাস্তবায়ন করছে।

গত বুধবার সকালে ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রেলপথের দুই পাশে সড়ক ঘেঁষে ফল ও ফাস্ট ফুডের দোকান–হোটেল। নুর মোহাম্মদ নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, এই জায়গা তাঁরা রেলওয়ের কাছে থেকে ইজারা নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছেন। উন্নয়নের জন্য জায়গা ছেড়ে দিতে তাঁরা রাজি। কিন্তু সে জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

সড়কটি নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এম বিল্ডার্স। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি আমিনুল হক বলেন, রেলওয়ের জায়গা থেকে স্থাপনা উচ্ছেদে শুরু থেকেই সওজকে তাগাদা দেওয়া হয়। কিন্তু দুই দপ্তরের (রেল ও সওজ) সমন্বয়ের অভাবে উচ্ছেদ হচ্ছে না।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আখতার বলেন, দুই দপ্তরের সমন্বয় ঘটাতে সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নীলিমা আখতার গাইবান্ধায় এসেছিলেন। তিনি রেল ও সওজের মধ্যে সমন্বয় করে চার লেনের কাজটি দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেন। তখন রেলের লালমনিরহাট অঞ্চলের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক শাহ সফি নূর মোহাম্মদও ছিলেন।

শাহ সফি নূর মোহাম্মদ বলেন, সমন্বয়ের কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। দ্রুত স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন