বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে আতিকুর বলেন, আশিকুর দীর্ঘদিন ধরেই সুনামের সঙ্গে ছাত্রলীগের রাজনীতি করছে। চলতি বছরের ১১ জুলাই রাত সাড়ে নয়টায় অসুস্থ মায়ের ওষুধ কিনে গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে মধ্য কঞ্চিপাড়া গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। ফেরার পথে গাইবান্ধা-বালাসি সড়কের গাইবান্ধা জেলা শহরের হালিম বিড়ি ফ্যাক্টরির মোড়ে আশিকুরকে নৃশংসভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী গাইবান্ধা পৌরসভার পূর্বপাড়া এলাকার মো. কাঞ্চন ও ইমরান খান। তাঁদের সহযোগী ছিলেন মানিক মিয়া, সোহাগ মিয়াসহ কয়েকজন। আসামিরা জনসম্মুখে তাঁর ভাইকে খুন করলেও পুলিশ এজাহারভুক্ত মূল আসামিসহ অন্যদের আজও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পুলিশ এজাহারভুক্ত মাত্র একজন ও অজ্ঞাতনামা চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে হাত গুটিয়ে আছে।

আতিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, এত উন্নত তথ্যপ্রযুক্তি থাকার পরও মূল আসামিসহ অন্য আর কোনো আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারছে না, যা তাঁদের উদ্বিগ্ন করছে। সেই সঙ্গে আশিকুর হত্যার রহস্য বা কি কারণে তাঁকে হত্যা করা হলো, তা–ও পুলিশ জানাতে পারেনি। তাঁর ভাইকে বিনা কারণে হত্যা করা হয়নি। এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য আছে। তাই রহস্যের উদ্‌ঘাটনসহ তাঁর ভাইকে হত্যায় যেসব আসামি জড়িত, তাঁদের প্রত্যেককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন ফুলছড়ি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এ টি এম রাশেদুজ্জামান, গাইবান্ধা পৌরসভার সাবেক কমিশনার আবু আল খায়ের, নিহত আশিকুরের বড় বোন হাছিনা বেগম, চাচা আবদুল হালিম, ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান প্রমুখ।

জানতে চাইলে গাইবান্ধা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রউফ বলেন, ঘটনার পর থেকে ওই সব আসামি পলাতক। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন