বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক বলেন, আসামি কামালকে থানায় আনার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে হাজির করা হবে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, আজ নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। গতকাল ওই কিশোরী নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৬ আগস্ট সকাল ১০টায় নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে আবদুল্লাহ আল-মামুন ও কামাল হোসেনসহ চারজন তাকে অপহরণ করেন। সেখান থেকে কিশোরীকে সেনবাগ উপজেলার একটি বাড়িতে আটকে রাখেন তাঁরা। এরপর সেখানে কামাল ও আবদুল্লাহ আল-মামুন তাকে ধর্ষণ করেন।

কিশোরীর অভিযোগ, সেনবাগ থেকে আসামিরা ২৮ সেপ্টেম্বর কিশোরীকে টাঙ্গাইলের একটি গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তাকে আসামিরা ছাড়াও অন্য অপরিচিত একাধিক ব্যক্তি ধর্ষণ করেন। আসামিরা ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে জিম্মি করে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে আসছিলেন।

ওই কিশোরী ৯ নভেম্বর কৌশলে আসামিদের কবল থেকে পালিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরে এসে তাঁর অভিভাবকদের বিষয়টি জানায়। এরপর ওই দিন রাতেই বেগমগঞ্জ থানায় কিশোরী বাদী হয়ে আবদুল্লাহ আল-মামুন (২৮), মো. কামাল (৪৬), মো. নাছের (২৮) ও মো. ফরহাদের (২৭) নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন