বিজ্ঞাপন

ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আড়ানী পৌরসভার মেয়র মুক্তার আলীর বিরুদ্ধে বাঘা থানায় মামলা হয়েছে। স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন অনুযায়ী মেয়র পদ থেকে তাঁকে অপসারণযোগ্য অপরাধ এটি। এমন অপরাধমূলক কার্যক্রম পৌর পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থী বলে সরকার মনে করে। তাই তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। অবিলম্বে এটি কার্যকর হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা প্রশাসক মো. আবদুল জলিল গতকাল সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, গত রোববার তিনি মেয়র মুক্তারকে বরখাস্তের জন্য একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। মন্ত্রণালয় এটা করবে এবং তা ফাইলে উঠেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্তের কোনো চিঠি তিনি এখনো পাননি।

বাড়ির ভেতরে ঢুকে স্ত্রী-পুত্রসহ এক কলেজশিক্ষককে মারধরের ঘটনায় মুক্তার আলীর বিরুদ্ধে ৬ জুলাই বাঘা থানায় একটি মামলা হয়। এরপর পুলিশ তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায়। এরপর পুলিশ জানায়, প্রায় এক কোটি টাকা, চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, মাদকসহ তাঁর স্ত্রী এবং দুই ভাতিজাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে পাবনার ঈশ্বরদী থেকে মেয়র মুক্তার ও তাঁর শ্যালককে গ্রেপ্তার করা হয়। সেদিনই তাঁর বাড়িতে আবারও অভিযান চালানো হয়। এরপর নগদ টাকা, অস্ত্র এবং মাদক উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। ওই দিন বিকেলে তাঁকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাঁর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুক্রবার থেকেই জেলার পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ে মেয়রকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন