বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে বুধবার মোসাদ্দেক হোসেন একই ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদিতমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, মহিষখোচা ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের বারঘরিয়া গ্রামের মৃত খইমুদ্দিনের স্ত্রী হাজেরা বেওয়া জীবিত থাকা অবস্থায় বয়স্ক ভাতার সুবিধাভোগী ছিলেন। তাঁর বয়স্ক ভাতার বই নম্বর ৩৭৪। আইডি নম্বর ০১৫২০০৩২৯৯৮। হাজেরা বেওয়া জীবিত থাকাকালে তাঁর নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরের মাধ্যমে খোলা বিকাশ অ্যাকাউন্টে বয়স্ক ভাতার টাকা জমা হতো। ছয়-সাত মাস আগে হাজেরা বেওয়ার মৃত্যু হয়।

মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, হাজেরা বেওয়ার মৃত্যুর বিষয়টি তিনি জানেন না। এ অবস্থায় কে বা কারা তাঁকে (মোসাদ্দেক) সামাজিকভাবে হেয় করতে মৃত হাজেরা বেওয়ার বয়স্ক ভাতার বিকাশ অ্যাকাউন্ট নম্বরের স্থলে তাঁর বন্ধ থাকা মুঠোফোন নম্বর সংযুক্ত করেন।

মোসাদ্দেক হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমি সংবাদ সম্মেলন করলাম, থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। এ ঘটনার সঙ্গে কারা কীভাবে জড়িত, সেটা উদ্‌ঘাটিত হোক। সামনে ইউপি নির্বাচন, আমি পরপর দুবার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করে কোনো মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।’

আদিতমারী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রওশন আলী মণ্ডল বলেন, ‘সুবিধাভোগীদের অনলাইন নিবন্ধন করার সময় কিছু ভুল হয়ে থাকতে পারে। সেগুলো চিহ্নিত করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ভুল অনলাইন নিবন্ধন নিশ্চিত করতে কাজ করছি। ইউপি চেয়ারম্যানদের সমস্যাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে অফিসে লিখিতভাবে অবহিত করতে বলেছি।’

আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেনের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন