বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নওমালা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডটিতে (আবদুর রশিদ খান ডিগ্রী কলেজ এলাকা) শাহজাদা হাওলাদারের সমর্থকদের আধিপত্য বেশি। শনিবার রাতে ওই এলাকায় কামাল হোসেনের সমর্থকেরা এলাকায় প্রবেশ করলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে রাত সাড়ে নয়টার দিকে সাহা গাজীর বাড়ির সামনে পৌঁছালে দুই দল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন, এদের মধ্যে মো. সজীব (২০) নামের এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাদা হাওলাদার।

আহত সজীবকে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে পুলিশ। সেখানে জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে রাতেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. তাসিফুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘তাঁর (সজীব) অস্ত্রোপচার করতে হবে। অস্ত্রোপচারের আগে বলা যাবে না ওটা কি? এ কারণে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে তাঁর ঘাঁড়ের বাঁ দিক দিয়ে ফরেন জাতীয় কিছু একটা ঢুকেছে সেটা নিশ্চিত।’

আহত সজীব দাবি করেন,সংঘর্ষের একপর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতিতে কামাল হোসেন বিশ্বাসের সমর্থক শাহাবুদ্দিন আকনের (৪৬) ছোড়া গুলিতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তবে, শাহাবুদ্দিন আকন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন,‘আমি এ সম্পর্কে কিছুই জানি না। ঘটনার সময় আমি আমার বাসায় অবস্থান করেছিলাম।’

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহজাদা হাওলাদার বলেন,‘জনসমর্থন নাই বলে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করছে নৌকার প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকেরা। পুলিশের উপস্থিতিতে আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর গুলি করে আহত করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. কামাল হোসেন বিশ্বাসের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

সংঘর্ষের সত্যতা স্বীকার করে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়েছে। যা পুলিশ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে, গুলি ছোড়ার বিষয়টি সত্য নয়।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন