বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দলীয় সূত্র জানায়, গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউপিতে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি গোলজার হোসনে, বামুন্দী ইউপিতে ওবায়দুর রহমান, মটমুড়া ইউপিতে আবুল হাশেম বিশ্বাস, তেতুলবাড়ীয়া ইউপিতে আবদুল্লাহ আল মামুন, সাহারবাটি ইউপিতে মশিউর রহমান, মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুর  ইউপিতে মো. মোস্তাকিম, মোনাখালি ইউপিতে রফিকুল ইসলাম, বাগোয়ান ইউপিতে কুতুব উদ্দীন, মহজনপুর ইউপিতে রেজাউর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সাত চেয়ারম্যানের দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগের দুই নেতা প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যানের পদে থাকায় অনেকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ছিল। এসব আমলনামার কারণে সভানেত্রী একেবারে নতুন মুখ এনেছেন।

দলীয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে পাঁচটিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে পাঁচজন চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তিনটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচিত হন। বাকি একটিতে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত হন। আগামী ১১ নভেম্বর এই উপজেলার নয়টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ হবে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নয়জন নেতাকে এবার দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান চেয়ারম্যানরা দলীয় মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এবার যাঁরা দলীয় মনোনয়ন পাননি, তাঁরা হলেন গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মটমুড়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল, বামুন্দি ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, সাহারবাটি ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন, মুজিবনগর উপজেলার মহজনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমাম হোসেন, বাগোয়ান ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোনখালি ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌফিকুল বারী।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক প্রথম আলোকে বলেন, এবারের মনোনয়ন নেত্রী নিজে দেখে বিবেচনা করে দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য যাঁরা নিবেদিত প্রাণ, ঠিক তাঁদের মনোনীত করা হয়েছে। এবারে আওয়ামী লীগের যেসব নেতা–কর্মী বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিবেন, তাঁদের ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন