বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ১১ নভেম্বর কালকিনি ও ডাসার উপজেলার ১৩টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের আগের দিন সকালে চরদৌলতখান ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা এলাকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী চান মিয়া শিকদার ও বিদ্রোহী প্রার্থী মিলন মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বিদ্রোহী প্রার্থীর তিন সমর্থককে বরিশালের শের-ই–বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়। সেখান থেকে তিনজনকেই ঢাকার মোহাম্মদপুর সিটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোর পাঁচটার দিকে মারা যান আলমগীর। এখনো আইসিইউতে আছেন বিদ্রোহী প্রার্থী মিলন মিয়ার ভাতিজা অপু প্যাদা (৩৫) ও সমর্থক রিপন মোল্লা (৪৫)।

আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্রোহী প্রার্থী মিলন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার আপন বড় চাচার বড় ছেলে আলমগীর। নির্বাচনের আগে আমার এই চাচাতো ভাইয়ের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি। কিন্তু চান মিয়ার লোকজন আমাকে ও আমার চাচাতো ভাইকে লক্ষ্য করেই মূলত বোমা হামলা চালায়। অনেক চেষ্টা করেও চাচাতো ভাইকে বাঁচাতে পারলাম না।’

চান মিয়া শিকদার বলেন, ‘ভোটের আগে দুই পক্ষের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে ঠিক। তবে ওরা নিজেরাই (মিলন মিয়ার লোকজন) বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। আমাদের লোকজন শুধু মিলনের লোকজনকে প্রতিরোধ করেছে। পাল্টা হামলা চালায়নি।’

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসতিয়াক আশফাক বলেন, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হবে। নিহত ব্যক্তির পরিবার থানায় এলেই মামলা নেওয়া হবে। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে আরও যাঁরা জড়িত, তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন