বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওয়াহেদ মিয়ার ছেলে রিফাত মিয়া বলেন, তাঁর বাবার সঙ্গে কারও কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না। বাজারে কে, কী বলেছেন, এসব ভাবতে ভাবতেই রাতের বেলায় হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা গেছেন।

ওয়াহেদের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই বলে জানান সাবেক ইউপি সদস্য আবদুর রহিম। তিনি বলেন, তাঁর ভাই বাছিরের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। এ বিষয়ে সকালে বাজারে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়েছে। তবে তাঁকে কেউ চড়-থাপ্পড় বা মারধর করেনি। রাতের বেলায় ওয়াহেদ মারা যান।

মূলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাঈনুল হোসেন বলেন, নিজেদের মধ্যে দুপুরে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। রাতের বেলায় বাজারেই হার্ট অ্যাটাক হলে তিনি পড়ে যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওয়াহেদকে মৃত ঘোষণা করা হয়। রাতেই পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নিয়ে গেছে।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাঠানো হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন