বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
১৯৫১ সালে কায়কোবাদ প্রয়াত হয়েছেন। একাত্তর বছরেই কবির বংশধর নিরুদ্দেশ হয়ে গেল!
সোহেলুর রহমান, কবি ও ব্যাংকার

মতিয়ার রহমান বলেন, প্রতিবেশীরা কবির বসতভিটার জমি কিনে নিয়ে বসতি গড়েছেন। ফলে বর্তমানে মহাকবির কোনো স্মৃতি চিহ্ন এখানে নেই। বিষয়টি দুঃখজনক উল্লেখ করে স্থানীয় বাসিন্দা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চলচ্চিত্র অভিনেতা জামিলুর রহমান বলেন, অবশ্যই কবির জন্মভিটা সংরক্ষণ করা দরকার।

জীবদ্দশায় কায়কোবাদ যে পোস্ট অফিসে পোস্টমাস্টারের চাকরি করতেন, উন্নয়নের ছোঁয়ায় সেই পোস্ট অফিস এখন আধা পাকা হয়েছে। নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলায় মহাকবির নামে স্কুল-কলেজ এবং সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার নাম আছে। অথচ জন্মভিটা ও বসতভিটার অস্তিত্ব নেই। তরুণ দলের সদস্য কবি ও ব্যাংকার সোহেলুর রহমান বলেন, ১৯৫১ সালে কায়কোবাদ প্রয়াত হয়েছেন। একাত্তর বছরেই কবির বংশধর নিরুদ্দেশ হয়ে গেল!

default-image

মহাকবির বসতভিটার একটি অংশে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন আলমগীর শিকদার (৩৫)। তিনি অটোরিকশাচালক। তাঁর দুই দাদা রওশন শিকদার ও হাসান শিকদার মহাকবির মৃত্যুর অনেক বছর পর কবির নাতিদের কাছ থেকে জমি কিনে নিয়ে বসতি স্থাপন করেছেন। আলমগীর বলেন, বৈধভাবে উপযুক্ত দাম দিয়েই জমি কিনে তাঁরা বসবাস করছেন। সেখানে এখন ১২টি পরিবারের বসতি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দীন বলেন, তিনিও শুনেছেন বৈধ প্রক্রিয়ায় মহাকবির ওয়ারিশদের কাছ থেকে জমি কিনে অন্যরা বসবাস করছেন। তবে আরও খোঁজ নিয়ে দলিলপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখতে হবে। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কায়কোবাদের বসতভিটা ও স্মৃতিচিহ্ন অবশ্যই রক্ষা করা উচিত। এ বিষয়ে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পালন করবেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন