default-image

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠী এলাকায় রোববার ইজিবাইকের সঙ্গে ট্রলির সংঘর্ষে মো. হাবিব মীর (৬০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। হাবিব ইজিবাইকের যাত্রী ছিলেন। এ দুর্ঘটনায় ইজিবাইকের আট যাত্রী ও চালক আহত হয়েছেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হাবিব মীর ইন্দুরকানি উপজেলার ইন্দুরকানি গ্রামের মৃত ওহাব মীরের ছেলে। দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের মো. কামরুল ইসলাম (৪০), তাঁর স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৬), মেয়ে ফারজানা ইয়াসমিন (১৬), উপজেলার পশারিবুনিয়া গ্রামের মিল্টন হালাদারের স্ত্রী মিনতি হালদার (৩৫) ও তাঁর দুই মেয়ে তৃষ্ণা হালদার (১৩), কথা হালদার (৭); ইন্দুরকানি উপজেলার ইন্দুরকানি গ্রামের আবদুল জলিল মিয়া (৪০), খুলনার নগরীর আবুল কাসেমের স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫) এবং ইজিবাইকের চালক ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার কানুদাসকাঠী গ্রামের মো. মানিক (৩৩)। তাঁদের মধ্যে কামরুল ইসলাম, ফারজানা ইয়াসমিন ও তৃষ্ণা হালদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী, হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে ইজিবাইকচালক ভান্ডারিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে চরখালী যাচ্ছিলেন। বেলা পৌনে একটার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠী এলাকায় বিপরীত থেকে আসা একটি ইটবোঝাই ট্রলির সঙ্গে ইজিবাইকের সংঘর্ষ হয়। এতে ইজিবাইকের ৯ যাত্রী ও চালক আহত হন। আহত যাত্রীদের মধ্যে হাবিব মীরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর ট্রলির চালক পালিয়ে যান।
ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা আলী আজীম বলেন, হাবিব মীর নামের একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুমুর রহমান বিশ্বাস বলেন, নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ট্রলিটি আটক করা হয়েছে। ঘাতক চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন