বিজ্ঞাপন

রাতে স্বজনেরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর হাফিজুলের থাকার ঘরের তালা ভেঙে অচেতন অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করেন।

এ ঘটনার পর রাতেই স্থানীয় লোকজন হাফিজুলকে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন বলেন, তখন ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুলকে জুতাপেটা করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

তবে ইউপি চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, বিক্ষুব্ধ লোকজনের উপস্থিতিতে হাফিজুলের ভগ্নিপতিই ওই শাস্তি দেন। কোনো জরিমানাও করা হয়নি।

ইন্দুরকানি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির সোমবার সকালে বলেন, স্কুলছাত্রীর বাবার করা মামলার পর থেকে হাফিজুল পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন