বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, মোহাম্মদ রাসেল ইভ্যালির মাধ্যমে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে আসছিলেন। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তিনি ইয়ামাহার আর ওয়ান ফাইভ ভার্সন থ্রি (ইন্দোনেশীয়) মোটরসাইকেল কেনার জন্য নির্ধারিত বিশেষ অফার মূল্য ২ লাখ ৯৪ হাজার ৮৭৩ টাকা পরিশোধ করেন। মোটরসাইকেলটি ৪৫ দিনের মধ্যে বাদীকে সরবরাহ করার কথা ছিল। প্রতিশ্রুত সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেলটি সরবরাহ করতে না পারায় প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী ওই মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বাবদ বাদীকে পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়।

মোটরসাইকেলটি সরবরাহ করতে না পারায় ইভ্যালি থেকে মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বাবদ বাদীকে পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। চেকটি গত ৩ অক্টোবর বাদী ব্যাংক হিসাবে জমা দিলে ডিজঅনার হয়।

চেকটি গত ৩ অক্টোবর বাদী নিজের ব্যাংক হিসাবে জমা দিলে ডিজঅনার হয়। বাদী চেকটি ডিজঅনারের বিষয়ে আসামিকে জানানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে গত ১১ অক্টোবর ইভ্যালির অফিসের ঠিকানায় নোটিশ পাঠান। অফিস বন্ধ থাকায় গত ১৩ অক্টোবর নোটিশটি ফেরত আসে। উপায় না পেয়ে তিনি মামলা করতে বাধ্য হয়েছেন।

মামলাটির বাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তফা আসাদুজ্জামান বলেন, এই চেক ডিজঅনার মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে আসামি মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। আগামী ২৪ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন