default-image

হল ও ক্যাম্পাস খুলে দিতে পাঁচ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন কুষ্টিয়ায় অবস্থিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় ক্যাম্পাসের ডায়েনা চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে উদ্দেশ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, দ্রুত হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় শিক্ষার্থীরা হলে ঢোকার ব্যবস্থা নিজেরাই করে নিতে বাধ্য হবেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জি কে সাদিক। এ সময় সেখানে বিভিন্ন বিভাগের ৩০ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি গতকাল সোমবার এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আবাসিক হল আগামী ১৭ মে এবং শ্রেণিকক্ষে ক্লাস ২৪ মে শুরু করা হবে বলে ঘোষণা দেন। তবে ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি ঘোষণা দেন। হল ও ক্যাম্পাস খুলে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক না করা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে বলে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান।
আজ কর্মসূচি চলাকালে তাঁরা দুই দফা দাবি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবিগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থগিত করা সব পরীক্ষা পুনরায় শুরু করতে হবে এবং আগামী ১ মার্চের আগে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দিতে হবে। এই সময়ের মধ্যে হল খুলে না দিলে শিক্ষার্থীরা ১ মার্চ হলে ঢুকে যেতে বাধ্য হবেন।

কয়েকটি উদাহরণ টেনে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকার সবকিছু স্বাভাবিক করে দিয়েছে। ৬৪ জেলায় স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ছাত্র রাজনৈতিক সংগঠনগুলো তাদের সব ধরনের কার্যক্রম চলমান রেখেছে। সরকার যদি সত্যিই শিক্ষার্থীদের তথা দেশের মানুষের চিন্তা করে করোনা সংক্রমণ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকত, তাহলে এসব কার্যক্রম চলমান থাকত না। অন্যদিকে, প্রায় ছয় মাস আগে দেশের কওমি ও হাফেজি মাদ্রাসাগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবে—সরকারের এই দাবির কোনো যৌক্তিকতা নেই।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন