বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাংসদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত নিকলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ এম রুহুল কুদ্দুস ভূঁইয়া মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, আগের দিন সাংসদ নিকলীতে ছিলেন। তবে ইসির নির্দেশনার বিষয়টি সাংসদ অবগত হয়েছেন। আজ আর কোথাও না গিয়ে নিকলী ছেড়ে গেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সিংপুর ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় হাইস্কুল মাঠে আজ বিকেলে দলীয় প্রার্থী মোহাম্মদ আলীর পূর্বঘোষিত সভাটি শুরু হলেও সাংসদ যোগ দেননি। সভাটিতে সাংসদের প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কয়েক দিন আগে থেকে এই সভার বিষয়ে সেভাবেই প্রচারণা চালানো হয়। পরে সভাটি শুরু হয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. ইসহাক ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে। সভায় নৌকার প্রার্থী মোহাম্মদ আলী উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়, সাংসদ আফজাল তাঁর নির্বাচনী এলাকার আওতাধীন নিকলীতে ইউপি নির্বাচনে এক প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।

সভা চলাকালে প্রার্থী মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ হলে তিনি বলেন, ‘সাংসদ আসেননি। আসবেন কি না, তা জানি না।’

স্থানীয় লোকজন জানান, ইসির নির্দেশের কথাটি যখন জানা যায়, তখন কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে দলীয় প্রার্থী তাকি আমান খানের নির্বাচনীয় সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ। ওই সভায় দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চান তিনি। একই সঙ্গে তিনি নেতা-কর্মীদের এই বলে হুঁশিয়ার করেন—নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। একপর্যায়ে একজন গণমাধ্যমকর্মী ভিডিও ক্যামেরা হাতে নিয়ে এগিয়ে গেলে সাংসদ তাঁকে ধমক দিয়ে সরিয়ে দেন। কারপাশা ইউপির সভা শেষ করে রাতেই তিনি যান দামপাড়া ইউনিয়নে। সেখানে গিয়ে হাইস্কুল মাঠে দলীয় প্রার্থী মো. আলী আকবরের সভায় যোগ দেন এবং ভোট চান। দুটি সভার পর তাঁর আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি সর্বমহলে আলোচনায় আসে।

কিশোরগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, সাংসদকে নিকলী ছেড়ে যাওয়ার ইসির নির্দেশের বিষয়টি রাতেই উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকেও অবহিত করা হয়েছে।

সাংসদ আফজাল হোসেন নৌকা প্রতীকে টানা তিনবারের সাংসদ। তিনি বাজিতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন