বিজ্ঞাপন

উজ্জ্বল কান্তি পাল আজ প্রথম আলোকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ভারতের ওডিশা অতিক্রম করছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের সমুদ্রের উপকূলীয় এলাকায় জোয়ারের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে পূর্ণিমারও প্রভাব রয়েছে। এসব কারণে জোয়ারের স্বাভাবিক উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে। জোয়ারের পানিতে উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি দিনভর বৃষ্টি হতে পারে।

আজ সকালে চট্টগ্রাম আউটার রিং রোড তথা বাঁধের নিচের এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যেতে দেখা গেছে।

ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় নগরের ১৩টি ওয়ার্ডে ৬০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণকক্ষ। চিকিৎসক দল ও স্বেচ্ছাসেবীদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. বারেক প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতভর মানুষকে ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আশঙ্কা কম। তা সত্ত্বেও সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে।

পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকার দোকানি আরিফ উদ্দিন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আপাতত তিনি দোকান বন্ধ রেখেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দোকান খুলবেন। তবে আবহাওয়ার অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, তেমন কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। সমুদ্রের উপকূলীয় উপজেলাগুলোয় প্রায় এক হাজার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়ের মূল কেন্দ্রটির ওডিশার উপকূল অতিক্রম করার কথা। পুরো ঝড় ওডিশা উপকূল অতিক্রম করতে বিকেল গড়িয়ে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছে। এই ঝোড়ো বাতাস অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া সারা দেশে বৃষ্টি হতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন