পৌর শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত লেকটির দৈর্ঘ্য প্রায় দুই কিলোমিটার। গত বুধবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, লেকের চারপাশে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষের ভিড়। কেউ প্রিয়জনের সঙ্গে ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত, কেউবা তুলছেন সেলফি। এ সময় কথা হয় কালিকাপুর এলাকার গৃহবধূ নাজমা বেগমের সঙ্গে। তিনি স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন লেকের পাড়ে। তিনি বলেন, করোনায় দুই বছরে কোথাও যেতে পারেননি। এবার সুযোগ এসেছে। সন্তানেরা বায়না ধরেছে লেক দেখবে। ঈদের দিন বৃষ্টির কারণে বের হননি তাঁরা। পরদিন সবাইকে নিয়ে চলে এসেছেন। শহরে বিনোদনের জন্য হাতেগোনা কয়েকটি স্পট হয়েছে। তবে লেকটি অন্য রকম। লেকটির কাজ শেষ হলে সৌন্দর্য আরও ফুটে উঠবে।

শহরের নতুন বাজার এলাকার কলেজছাত্রী আফরোজা রুনা বলেন, পটুয়াখালীতে আগে বিনোদনের তেমন কোনো জায়গা ছিল না। কিন্তু এখন শিশুপার্ক হয়েছে। এই লেক বিশেষ আকর্ষণ করেছে দর্শনার্থীদের। খুব ভালো লাগছে এখানে এসে। লেকটি পানিতে ভরে উঠলে সৌন্দর্য আরও বাড়বে।

পটুয়াখালী শহর আরও বাসযোগ্য করতে বিভিন্ন প্রকল্প চলমান আছে বলে জানিয়েছেন পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ। তিনি বলেন, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে শহরবাসীর আনন্দ–বিনোদনের জন্য বেশ কয়েকটি স্পট তৈরি হবে। জিলবুনিয়া খালটি মরে শুকিয়ে গিয়েছিল। খালটি খননসহ লেকে রূপান্তরিত করে সাজানোর কাজ চলমান আছে। সব কাজ সম্পন্ন হলে দৃষ্টিনন্দন লেকে পরিণত হবে এটি। চলতি বছরেই লেকটির নির্মাণকাজ শেষ হবে।

জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ঈদ উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের কথা চিন্তা করে নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে জনসাধারণ নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন