বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পৌর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহার নামাজ শেষেই বাসাবাড়িতে কোরবানির গরু-ছাগল জবাই শুরু হয়। শহরের বিভিন্ন এলাকাতে কোরবানি শেষে পশুর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে রাখেন পৌর নাগরিকেরা। এদিকে বেলা ১১টা থেকেই পৌর কর্তৃপক্ষ শুরু করেন পশুর বর্জ্য অপসারণের কাজ। পৌরসভার ৭০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী শহরের অলিগলি, পাড়া-মহল্লায় সড়কের পাশে, বাসাবাড়ির সামনে ফেলে রাখা কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নামেন। এই বর্জ্য অপসারণের কাজে ১১টি ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান ব্যবহার করা হয়েছে। বর্জ্য অপসারণের পরই বর্জ্য ফেলে রাখা স্থানে ছিটানো হয়েছে ব্লিচিং পাউডার। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার মধ্যে সারা শহরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করা হয়েছে।

পৌর মেয়র মো. ফজলুর রহমানের তত্ত্বাবধানে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের কাজ তদারক করেন পৌর কাউন্সিলর জালাল আহমদ ও পার্থ সারথি পাল, কনজারভেন্সি পরিদর্শক আব্দুল মতিন এবং উপসহকারী প্রকৌশলী রনধীর রায়।

পৌর মেয়র মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘কোরবানি শেষেই বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করা হয়। আমরা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ে মাঠে নেমে পড়ি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মৌলভীবাজার শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শহরবাসী যাতে কোরবানির বর্জ্যের দুর্গন্ধে না ভোগেন, সে জন্য দ্রুত বর্জ্য অপসারণের চেষ্টা করেছি। সন্ধ্যার মধ্যেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ হয়েছে।’

পৌর মেয়র একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে সব নাগরিকের সহযোগিতা চেয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন