সকাল থেকে ঘরমুখী এসব যাত্রী ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহনে পদ্মা সেতু পার হতে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে টোল প্লাজায় আসতে থাকেন। গাড়ির চাপ বেশি থাকায় টোল প্লাজা এলাকায় শত শত গাড়ি আটকা পড়ে। এতে করে এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীপুর থেকে মাওয়া টোল প্লাজা পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়।

অপেক্ষমাণ যানবাহনের মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহনের সংখ্যা বেশি। পাশাপাশি পণ্যবাহী যানবাহনও আছে। টোল দিয়ে সেতুতে উঠতে প্রতিটি গাড়িকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

শরীয়তপুর পরিবহনের একটি বাসের যাত্রী তানভীর হাসান রাজধানী ঢাকায় নিরাপত্তা প্রহরীর কাজ করেন। তিনি বলেন, ঈদের সময় ছুটি পাননি। তাই আজ বাড়িতে যাচ্ছেন। রাজধানী থেকে ৩০ মিনিটে তাঁদের বাস মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে চলে আসে। এরপরে যানজটে আটকে যায়। শ্রীপুর থেকে মাওয়া টোল প্লাজায় মাত্র ছয় কিলোমিটার পথ আসতে আরও প্রায় এক ঘণ্টা লাগে।

ব্যক্তিগত গাড়ির চালক শিবলী হাসানের বাড়ি নড়াইল শহরে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত কারণেই ঢাকায় ঈদ করেছেন। তবে গ্রামের বাড়িতে পরিবারের অন্য সদস্যরা রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে সময় কাটাতে আজ বাড়িতে যাচ্ছেন। শ্রীপুর থেকে টোল প্লাজা পর্যন্ত গাড়ির জটলা থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জানতে চাইলে শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) জিয়াউল ইসলাম প্রথম আলোকে, ঢাকামুখী যানবাহনের কোনো চাপ নেই। তবে জাজিরামুখী গাড়ির চাপ রয়েছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন এমন চাপ ফেরিতেও পড়ত। ঈদের আগে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যেসব মানুষ বাড়িতে যাননি, তাঁরা এখন যাচ্ছেন। মহাড়কে গাড়ির চাপ থাকলেও গাড়ি চলমান রয়েছে। টোল প্লাজায় অল্প সময়ের মধ্যেই গাড়িগুলো টোল পরিশোধ করতে পারছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন