বিজ্ঞাপন

শুধু তা–ই নয়, এই শিক্ষার্থীরা বগুড়া শহরের হতদরিদ্র ৫৮টি পরিবারের পৌঁছে দিয়েছেন পোলাওয়ের চাল, মোরগ, লাচ্ছা সেমাই, চিনি, কনডেন্সড মিল্ক, সয়াবিন তেল, মসলাসহ ঈদের রান্নার প্রয়োজনীয় হরেক পদের উপহারসামগ্রী। আর এর সবটাই এই শিক্ষার্থীরা করেছেন তাঁদের ঈদের নতুন জামাকাপড় কেনার টাকা বাঁচিয়ে।

default-image

গত মঙ্গলবার শহরের দুস্থ ও হতদরিদ্রদের খাদ্যসামগ্রী এবং সোমবার বৃদ্ধাশ্রমে ঈদের নতুন পোশাক উপহার দেন নব্যদীপ্তির সদস্যরা। নব্যদীপ্তির অন্যতম উদ্যোক্তা বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে সরকারি আজিজুল হক কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী আনিকা গহর অনন্যা বলেন, ‘শুদ্ধ চিন্তায় তারুণ্য’ স্লোগানে করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে নব্যদীপ্তি যাত্রা শুরু করে। এর সদস্যর সবাই বগুড়া জিলা স্কুল ও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সিংহভাগই দেশের নামকরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমানে পড়াশোনা করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যোগাযোগের মাধ্যমে সবাই মিলে এই ঈদে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঈদে নিজেদের পোশাক কেনার জন্য মা–বাবার দেওয়া অর্থ বাঁচিয়ে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে প্রবীণ নিবাসের বাসিন্দাদের ঈদে নতুন কাপড় এবং হতদরিদ্র ছিন্নমূল পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।

আনিকা বলেন, ‘এভাবেই শতাধিক অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে ঈদের খুশি ভাগাভাগি করে নেওয়ার চেষ্টা করেছি আমরা।’

নব্যদীপ্তির আরেক সদস্য বগুড়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সরকারি আজিজুল হক কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র জাকি তাজওয়ার বলেন, ‘ঈদে নতুন জামাকাপড় না কিনে সেই টাকায় স্বজনহীন প্রবীণদের নতুন কাপড় এবং অসহায় মানুষকে উন্নত খাবার রান্নার উপকরণ পৌঁছে দিয়ে ঈদের খুশি ভাগাভাগি করেছি।

default-image

উপহার পেয়ে তাঁদের মুখে হাসি দেখে কী যে ভালো লেগেছে, সেটা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।’

বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী রোমানা আজিজ রিংকি বলেন, ‘নব্যদীপ্তির মানবিক উদ্যোগের কথা জেনে নিজেও তাঁদের সঙ্গে শরিক হয়েছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন