বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্বে থাকা একজন সহকারী কমিশনার আজ সকাল ও দুপুরে গাড়িতে করে কোয়ারেন্টিনে থাকা যাত্রী এবং হোটেলের কর্মচারীদের জন্য খাবার পৌঁছে দেন। হোটেলের কর্মচারীরা সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে খাবার বুঝে নেন।

এদিকে বেনাপোলের বিভিন্ন হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকা যাত্রীদের খাবার স্থানীয় সংসদ, পৌরসভার মেয়র ও হোটেলের মালিকেরা সরবরাহ করেন। এ ছাড়া ঝিকরগাছা উপজেলার গাজীর দরগা মাদ্রাসায় থাকা যাত্রীদের খাবার দেন চৌগাছা উপজেলার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, ‘কোয়ারেন্টিনের কারণে ঈদের দিনেও মানুষকে হোটেলে আটকে রাখতে হয়েছে। তাঁদের একটু স্বস্তি দেওয়ার জন্যই আমরা উন্নত মানের খাবার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। এ উদ্যোগে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এসেছেন।’

এদিকে আজ শুক্রবার আরও ৯১ জন ছাড়পত্র নিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন। তাঁদের মধ্যে যশোর শহরের হোটেল থেকে ৫৫ জন, বেনাপোলের হোটেল থেকে ২৪ ও গাজীর দরগাহ কুয়েত ইসলামিক ইয়াতীম কমপ্লেক্স কোয়ারেন্টিন সেন্টার থেকে গেছেন ১২ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন