বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, সুবিধাভোগীদের মধ্যে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা থাকলেও চেয়ারম্যান ৮ কেজি করে বিতরণ করেছেন। বাকি চাল কালোবাজারে বিক্রি করে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে তা মজুত করে রাখেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ব্যক্তিরা একপর্যায়ে বিষয়টি ইউএনওকে জানান। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইউএনও পরিষদে গিয়ে মজুত করে রাখা এক টন ভিজিএফের চাল জব্দ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে ইটাকুমারী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাদের প্রধান বলেন, চাল ব্যবসায়ীরা সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে চাল কিনে গুদামে রেখেছিলেন। তবে তাঁর শতভাগ চাল বিতরণ দেখানো ঠিক হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুল আজিজ বলেন, চাল বিতরণ ও মজুতে অসংগতি থাকায় গুদাম সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

পীরগাছার ইউএনও শামসুল আরেফীন গুদাম সিলগালা করার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পরিষদে গিয়ে এক টন চাল (২০ বস্তা-প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি) মজুত পাওয়া যায়। এই চাল ঈদের আগে সুবিধাভোগীদের মধ্যে বিতরণ করার কথা ছিল। কেন বিতরণ করা হলো না, তা যাচাই করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন