default-image

বিল্লাল-রওশন আরা দম্পতি বলেন, তাঁদের দুই ছেলে রিমন ও রিফাত স্থানীয় পরমহেশ্বরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল। বয়সে রিফাতের চেয়ে রিমন এক বছরের বড় হলেও দুজনে একই শ্রেণিতে পড়ত। দুই ভাইয়ের মধ্যে রিমনের খেলাধুলায় আগ্রহ বেশি ছিল। স্কুল ছুটি হলে প্রতিদিন সে গ্রামের মাঠে খেলতে যেত। গত ১৬ এপ্রিল খেলাধুলা নিয়ে রিমনের এক বন্ধুর সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয় এবং এক বন্ধু অপর বন্ধুকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ে।

রিমনের মা–বাবা জানান, ঢিল ছোড়াছুড়ির মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খেলার মাঠ থেকে রিমনকে ধরে নিয়ে হত্যা করে তার লাশ ধানখেতে ফেলে রাখা হয়। ১৭ এপ্রিল সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ধানখেতে রিমনের লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রিমনের লাশ উদ্ধার করে। লাশ উদ্ধারের দিনই রিমনের বাবা বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

গত ২৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করার দাবি করে ইমন মিয়া (১৭), আল-আমিন (৩৫), আনোয়ার হোসেন (২৫) ও মানিক মিয়া (৪২) নামের চারজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, শিশু রিমন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন