বিজ্ঞাপন

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের বহরে ১৮টি ফেরি আছে। সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকায় এখন পর্যন্ত ১৩টি চলাচল করছে। যাত্রী ও যানবাহনের চাপ আরও বাড়লে প্রয়োজনে সব কটি ফেরি চালানো হবে।’

সকালে সরেজমিনে বাংলাবাজার ফেরিঘাটে দেখা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে মাহিন্দ্র, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলে করে বাংলাবাজার ঘাটে আসছেন যাত্রীরা। ঘাটের প্রতিটি পন্টুনের পাশে যাত্রীদের ভিড়। চারটি ঘাটের সংযোগ সড়কগুলোয় ছোট গাড়িতে ভরা। শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ফেরিতে গাদাগাদি করে পদ্মা পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা। বেশির ভাগ যাত্রীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেখা যায়নি।

default-image

খুলনা থেকে আসা যাত্রী লিজা আক্তার বলেন, ‘আমি চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করি। খুলনা থেকে চট্টগ্রামের বাস চলে না। পরিবহন চলাচল না করায় আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। ভেঙে ভেঙে মাহিন্দ্র আর মাইক্রোতে বেশি ভাড়া দিয়ে আসতে হইছে। তবে ফেরিঘাটে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হয় নাই। এখানে এসে এনায়েতপুরী ফেরিতে উঠতে পেরেছি। তবে ফেরিতে অনেক ভিড়।’

গোপালগঞ্জ থেকে আসা ঢাকামুখী যাত্রী ইমন হোসেন বলেন, ‘সোমবার থেকে কারাখানা খোলা। ঢাকায় আজকের মধ্যে পৌঁছাতে হবে। তাই পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে এখন আবার কামে ফিরতাছি।’

বরিশাল থেকে আসা সাকিব হাসান বলেন, ‘দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় ঘাটে আসতে আমাদের চারবার গাড়ি পাল্টাইতে হইছে। একে তো দুর্ভোগ, পরে আছে বেকাতেড়া ভাড়া। এসব করোনা প্রতিরোধ নয়, সাধারণ যাত্রীগো ভোগান্তি।’

বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) মো. আশিকুর রহমান বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষে যাত্রীরা কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকামুখী হচ্ছেন। সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। ফেরিতে যানবাহনের তুলনায় যাত্রীই বেশি। ঘাট যানবাহন ও যাত্রীদের নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন উপজেলার প্রশাসন, পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। ঘাটের সংযোগ সড়কে যে ছোটগাড়িগুলো আছে, এগুলো বেশির ভাগই ব্যক্তিগত। ফেরিঘাটে আসামাত্রই গাড়িগুলো আমরা ফেরিতে তুলে দিচ্ছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন