বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এ কে এম ফরিদ উল্লাহ বলেন, ‘গতকাল শনিবার উপজেলা বিএনপি-জামায়াত আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে নেতা-কর্মীদের নিয়ে আমরা শহরে মিছিল করি। তখন ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি আবদুল কাদের মিয়ার নির্দেশে পুলিশ হামলা চালিয়ে আমাদের নেতা-কর্মীদের মারধর করে। সেখানে আমাদের কয়েকজন নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন।’

ফরিদ উল্লাহ আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াতের ছত্রচ্ছায়ায় তাঁদের নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশের এ হামলা মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে ওসি মো. আবদুল কাদের মিয়া মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল বিকেলে পুলিশ চরনিখলা মহল্লায় গিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও জনগণের জানমাল রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। কাউকে উদ্দেশ্য করে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তা ছাড়া পুলিশ তো কাউকে চেনেও না।

মানববন্ধন চলাকালে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাফিজা জেসমিন শহরের মুক্তিযোদ্ধা মোড়ে এলে আন্দোলনকারীরা তাঁর কাছে দাবি-দাওয়া পেশ করেন। ইউএনও এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন জানানোর পর তাঁরা কর্মসূচি শেষ করেন।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আবুল খায়ের মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ঈশ্বরগঞ্জ থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য গতকাল বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ নিয়ে তাঁদের সংগঠনের নেতাদের মারধর করেছেন। এ ঘটনায় যেসব পুলিশ সদস্য জড়িত, তাঁদের দুই দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। এ ছাড়া তিনি উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদেরও গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন