বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সরাইকান্দি গ্রামে নিজেদের তিনতলা একটি বাড়ির তৃতীয় তলায় শারমীন তাঁর স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকতেন। আজ সকাল ছয়টার দিকে তাঁর শ্বশুর ও শাশুড়ি ঘরের দরজা খুলে রেখে বাইরে হাঁটতে যান। স্বামী রানাউর রহমান ঘুমাচ্ছিলেন। এ সময় শারমীন বাড়ির ছাদে কাজ করছিলেন। এ সময় কৌশলে বাড়িতে ঢুকে শারমীনকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন সুমন আলী।

এ সময় শারমীন চিৎকার শুরু করলে তাঁর স্বামী রানাউর ছাদে ছুটে এসে তাঁর স্ত্রীকে রক্ষার চেষ্টা করেন। এ সময় সুমন তাঁকে চাপাতি দিয়ে কোপাতে থাকেন। একপর্যায়ে হামলাকারীর সঙ্গে রানাউরের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। রানাউর ওই ব্যক্তিকে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। পরে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে আহত অবস্থায় হামলাকারীকে আটক করেন। পরে রানাউর রহমানকে তাঁর স্বজনেরা উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

এ বিষয়ে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) ফিরোজ কবির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুমন মিয়াকে আটক করে। তাঁকে পুলিশি পাহারায় ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শারমীন শিলার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তর জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে হত্যার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বের শত্রুতার জেরেই এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন