বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উখিয়া বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম বলেন, শিকারিদের জালের ফাঁদে আটকা পড়া ১৭৮টি সাদা বক ঝুড়িভর্তি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় শিকার করা বকগুলো ফেলে পালিয়েছেন শিকারিরা। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে দুপুরের দিকে ইউএনওর বাসভবনসংলগ্ন লেকে বকগুলো অবমুক্ত করা হয়েছে। জব্দ করা জালগুলো বন বিভাগের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী পাখি শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ। চলতি শীত মৌসুমে বিভিন্ন এলাকা থেকে অতিথি পাখি দল বেঁধে এ বিলে আসবে। এসব পাখির নির্বিঘ্ন বিচরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি, এরা যেন নিধনের শিকার না হয়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যাবতীয় অতিথি পাখি নিধন বন্ধ করতে পুরো উপজেলায় মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোথাও পাখি নিধন করে বেচাকেনা করার খবর থাকলে সরাসরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ফোন করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, উখিয়া উপজেলার কয়েকটি বিলে বকের ফাঁদ পেতে প্রতিদিন কিছু বক শিকার করছেন একশ্রেণির অসাধু শিকারি। তাঁরা স্থানীয় হাটবাজারে এসব বক প্রতি জোড়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করছেন। তবে পাখি নিধন যে অপরাধ, এ বিষয়ে প্রচারণা চালালে জেল-জরিমানার ভয়ে শিকারিরা বিরত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ১৭ অক্টোবর উখিয়ার কুতুপালং বিল এলাকা থেকে ৭৭টি ও ১৬ অক্টোর থাইংখালীর বালুখালী ঢালা এলাকায় থেকে ৮৩টি সাদা বক উদ্ধার করা হয়। ১০ অক্টোবর উখিয়ার বালুখালী থেকে ১০টি সাদা বক ও ৯ অক্টোবর মাসকারিয়া বিল থেকে ১১৭টি সাদা বক ঝুড়িভর্তি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল, যা পরে ইউএনওর বাস ভবনসংলগ্ন লেকে অবমুক্ত করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন