বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শওকত আলী আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম ও মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট (হারবাল) মো. হান্নান নিজ কক্ষে কাজ করছিলেন। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ভবনের ছাদের পলেস্তারা বিকট শব্দে খসে তাঁদের ওপর পড়ে। এতে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ রক্তাক্ত জখম হয়। তাঁদের চিৎকারে সহকর্মীরা এগিয়ে আসেন। উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নিয়ে চিকিৎসা দিয়ে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁরা শঙ্কামুক্ত।

বরিশাল স্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলামের কাছে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, সম্প্রতি উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মোল্লা। তিনি ভবনের খারাপ অবস্থা দেখে নতুন ভবনের প্রকল্প তৈরি করার নির্দেশ দেন। নির্দেশ পাওয়ার পর ভবন পুনর্নির্মাণের প্রকল্প তৈরি করে তা অনুমোদনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বরিশালের সিভিল সার্জন মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, দ্রুত বিষয়টি সমাধানের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আহত কর্মকর্তাদের সুচিকিৎসার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন