বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওয়ালিউর রহমান বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সড়ক বিভাগ সচেষ্ট। মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর সংস্কারকাজ শেষ পর্যায়ে আছে। মানুষ যাতে সহজে নিজের পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের কড্ডার মোড়, নলকা সেতু, হাটিকুমরুল গোলচত্বর ও চান্দাইকোনা এলাকার সড়কে সমস্যা ছিল। সেগুলোর কাজ করা হয়েছে।

সড়ক বিভাগের এই প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, ২৫ এপ্রিল নবনির্মিত নলকা সেতুর ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনটি ছেড়ে দেওয়া হবে। এ ছাড়া পুরোনো সেতু দিয়ে ঢাকামুখী লেনের যানবাহন চলাচল করবে। হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকার সড়ক ২৮ ফুট চওড়া করা হয়েছে। এখন খুব সহজেই গাড়ি চলাচল করতে পারবে। চান্দাইকোনা সেতুটি আজই খুলে দেওয়া হচ্ছে। ঈদে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে তাঁরা হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন। পুলিশ তাঁদের যথেষ্ট সহযোগিতা করছে।

default-image

ওয়ালিউর রহমান আরও বলেন, ‘সাসেক-২ প্রকল্পের আওতায় এলেঙ্গা থেকে রংপুর পর্যন্ত ১৯০ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। করোনার কারণে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারিনি। এ জন্য আরও এক বছর লাগবে। এ সময়ে দুই লেনে গাড়ি চালানো যাবে। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করা যাবে না।’ তিনি চালকদের এক বছর ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

এ সময় সাসেক-১ প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক নূরে আলম সিদ্দিকী, সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক-১ গোলাম মর্তুজা, অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক জয় প্রকাশ চৌধুরী, অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক-২ আবদুল হামিদ, প্রকল্প ব্যবস্থাপক-২ আহসান মাসুদ বাপ্পী এবং সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দিদারুল আলম তরফদার উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন