বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর গোলচত্বর, সয়দাবাদ, কড্ডার মোড়, ঝাঐল উড়ালসেতু, নলকা সেতু, হাটিকুমরুল গোলচত্বরসহ সড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের টহল দল দেখা গেছে। নাটোর–বনপাড়া মহাসড়ক, পাবনা মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকা ঘুরেও একই চিত্র দেখা গেছে।

ঈদের ছুটি শেষে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরছেন পোশাকশ্রমিক মিনহাজ উদ্দিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এবার ঈদযাত্রায় ভোগান্তি অনেকটাই কম হয়েছে। গত রোববার ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলাম। আজ ছুটির শেষ দিন। এ জন্য কর্মক্ষেত্র ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছি।’

বঙ্গবন্ধু সেতু টোল প্লাজা সূত্র জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে যানবাহনের চাপ ছিল। তবে বর্তমানে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী লেনে চাপ বাড়তে শুরু করেছে। এ চাপ সপ্তাহজুড়ে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি স্থানে অতিরিক্ত ২০০ পুলিশ সদস্য নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কয় দিন ধরে ঘরমুখী মানুষের কারণে উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়কে যানবাহনের চাপ একটু বেশি ছিল। ঈদের ছুটি শেষ গওয়ায় এখন আবার কর্মক্ষেত্রে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ।

মহাসড়কটি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে জেলা পুলিশ কয়েক দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। তবে ঈদের দিন থেকে মহাসড়ক অনেকটা ফাঁকা থাকায় কিছুসংখ্যক পুলিশ সদস্যকে তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঢাকামুখী মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকায় মধ্যে মধ্যে ধীরগতির সৃষ্টি হলেও যানজট নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন