সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী অভি পরিবহন একটি বাসের যাত্রী কাজিপুর উপজেলার পাটুয়ারপাড়া এলাকার পোশাককর্মী শাপলা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এবার ঈদযাত্রায় ভোগান্তি অনেকটাই কম হয়েছে। গত রোববারে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলাম। আজ ছুটির শেষ দিন। এ জন্য কর্মক্ষেত্র ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। মহাসড়কে যানজট নেই দেখে ভালো লাগছে।’

বঙ্গবন্ধু সেতু টোল প্লাজা সূত্র জানায়, স্বাভাবিক অবস্থায় এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন ১২–১৩ হাজার যানবাহন চলাচল করে। ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে যানবাহনের চাপ ছিল। বর্তমানে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী লেনে চাপ বাড়তে শুরু করেছে। এ চাপ সপ্তাহজুড়ে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি স্থানে অতিরিক্ত ২০০ পুলিশ সদস্য নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কয়েক দিন ধরে ঘরমুখী মানুষের কারণে উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়কে যানবাহনের চাপ একটু বেশি ছিল। ঈদের ছুটি শেষে এখন আবার কর্মক্ষেত্রে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ।

মহাসড়কটি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে কয়েক দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে জেলা পুলিশ। তবে ঈদের দিন থেকে মহাসড়ক অনেকটা ফাঁকা থাকায় কিছুসংখ্যক পুলিশ সদস্যকে তুলে নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন