বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক থেকে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া মহাসড়কের চান্দাইকোনা পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ খুব কম। কোনো কোনো সময় একেবারেই ফাঁকা থাকতে দেখা গেছে মহাসড়কটি। এই সময়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর গোলচত্বর, সয়দাবাদ, কড্ডার মোড়, ঝাঐল উড়ালসেতু, নলকা সেতু, হাটিকুমরুল গোলচত্বরসহ সড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের টহল দল দেখা গেছে। এ ছাড়া নাটোর বনপাড়া মহাসড়ক, পাবনা মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকা ঘুরেও একই চিত্র দেখা গেছে।

ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জগামী অভি পরিবহন বাসের যাত্রী পৌর শহরের মহিমা রহমান বলেন, ‘সকাল ১০টায় ঢাকার গাবতলী থেকে যাত্রা করেছি। মহাসড়কে ফাঁকা থাকায় অত্যন্ত স্বস্তির সঙ্গে মাত্র পৌনে তিন ঘণ্টা সময়ে সিরাজগঞ্জ এসে পৌঁছালাম। আমার খুব ভালো লাগছে।’

ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পুলিশ ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু টোল প্লাজা সূত্রে জানা গেছে, স্বাভাবিক অবস্থায় এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। কদিন ধরে যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে থাকলেও বর্তমানে এর সংখ্যা অনেকটাই কমেছে।

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি স্থানে অতিরিক্ত ২০০ পুলিশ সদস্য কাজ শুরু করেছেন। কদিন ধরে এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ একটু বেশি হলেও এখন অনেকটাই স্বাভাবিক।

সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম বলেন, ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পুলিশ ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ২৭ রমজান থেকে ৬০০ পুলিশ সদস্য মহাসড়কে কাজ করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন